জামিয়া প্রধান নিয়োগ

জামিয়া প্রধান নিয়োগের ঐতিহ্য ও পটভূমি

জামিয়ার সুষ্ঠু ও সুশৃঙ্খল পরিচালনার স্বার্থে শুরা কমিটি সর্বদা এমন একজন খোদাভীরু, বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী এবং একাডেমিক ও প্রশাসনিক ক্ষেত্রে দক্ষ ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিত্বকে নির্বাচন করেন, যিনি দেশ-বিদেশে এক সুপ্রসিদ্ধ ইসলামী ব্যক্তিত্ব। জামিয়ার প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই এই গৌরবময় ঐতিহ্য ও ধারাবাহিকতা অত্যন্ত সুনামের সাথে অব্যাহত রয়েছে।

 দায়িত্বপ্রাপ্তির ঐতিহাসিক মুহূর্ত

আল্লামা মুফতী আবু তাহের কাসেমী নাদভী (রহ.)-এর আকস্মিক ইন্তেকালের পর জামিয়ার সার্বিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এক জরুরি শুরা বৈঠকের আয়োজন করা হয়। সেখানে উপস্থিত সকলের সর্বসম্মতিক্রমে আল্লামা মুফতী একরাম হোসাইন অদুদী হাফিজাহুল্লাহ-কে জামিয়ার নতুন মুহতামিম হিসেবে নিযুক্ত করা হয়।

এই মহান দায়িত্বপ্রাপ্তির ঘোষণাটি তিনি জানতে পারেন মরহুম মুহতামিম সাহেবের জানাজার ঠিক পূর্ব মুহূর্তে, মাইকের মাধ্যমে। আকস্মিক এই গুরুদায়িত্বের ঘোষণা শুনে তিনি স্তব্ধ হয়ে যান। মূলত, জামিয়ার প্রতি তাঁর গভীর তাকওয়া, পরহেজগারী এবং দীর্ঘদিনের নিঃস্বার্থ খিদমতের ফলশ্রুতিতেই মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে তিনি এই আসনের জন্য মনোনীত হয়েছেন।

 নেতৃত্ব ও ব্যক্তিত্বের অনন্য বাতিঘর

তিনি কেবল একজন প্রশাসনিক প্রধান নন, বরং আকাবির ও আসলাফদের রেখে যাওয়া এক অমূল্য আমানতের নির্ভরযোগ্য বাহক। জামিয়ার ইহতেমামের মসনদে সমাসীন এই দীপ্তিমান উত্তরসূরীর মাঝে মিশে আছে:

  • অতীতের গৌরব: আকাবিরদের রেখে যাওয়া পবিত্র আদর্শের বিশ্বস্ত প্রতিফলন।

  • বর্তমান দায়িত্বশীলতা: প্রতিকূলতা ও ঝঞ্ঝার মাঝেও জামিয়ার প্রশাসনিক ও একাডেমিক শৃঙ্খলা রক্ষা।

  • ভবিষ্যতের দীপ্ত প্রতিশ্রুতি: জামিয়াকে বিশ্বদরবারে আরও সুপ্রতিষ্ঠিত ও আলোকিত করার সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা।

“তাঁর অন্তর সুবাসিত তাকওয়ায়, দৃষ্টি প্রসারিত নববী নূরের দিকে। নানা ঝড়ঝঞ্ঝা, ষড়যন্ত্র ও প্রতিকূলতার মাঝেও তিনি আজ হয়ে উঠেছেন এক অনন্য বাতিঘর—ঝড়ের মাঝে শান্তি আর অন্ধকারের মাঝে আলোর দিশারী।”

Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
Share on skype
Skype
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email
Share on print
Print