তাবলীগ জামাতের সঙ্কট ও আমাদের করণীয়
2
3
আল-জামিয়া আল-ইসলামিয়া পটিয়ার প্রথম সাময়ীক পরীক্ষা ১৪৪০হিঃ-র সময়সূচী
জামিয়া পটিয়ায় পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান
6
প্রধানমন্ত্রীকে আল্লামা আব্দুল হালিম বোখারী’র ধন্যবাদ
8
কুরবানীর ছুটি
জামিয়া পটিয়ায় শিক্ষকমণ্ডলীর সাধারণ সভা

বিশেষ ঘোষনা :
উপমহাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ-ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ, প্রতিষ্ঠাকালীন প্রেক্ষাপটের আলোকে যা ছিল একটি ধর্মীয় দুরন্ত আন্দোলন ও বিপ্লব, সংস্কার ও সংগ্রাম। ঐতিহাসিক কর্ণফুলি নদীর পশ্চিম তটে সংযুক্ত, বাংলাদেশের বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রাম শহর। শহরের পূর্ব-দক্ষিণ তটে, প্রায় ১২ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ঐতিহাসিক পটিয়া থানা (সাবেক মহকুমা)। এ শহর ঐতিহাসিক, ঐতিহ্যবাহী ও বহু বিপ্লব-অনুবিপ্লবের স্মৃতিধারক। ইতিহাস থেকে জানা যায়, এক সময় এ ’এলাকা পটিয়া কেন্দ্রিক শাসিত ছিল। রাজনৈতিক গুরুত্ব, ধর্মীয় ঐতিহ্য ও আন্তর্জাতিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে এ শহরের বিশেষ মর্যাদা ও অবস্থান রয়েছে। 

এক নজরে “আল্‌-জামি’আ আল্‌-ইসলামিয়া” পটিয়া, চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ।
আল-জামি’আ আল-ইসলামিয়া (জমীরিয়া ক্বাসেমুল্ ‘উলূম) পটিয়া, চট্টগ্রাম বাংলাদেশ। ভারত উপমহাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ-ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ, প্রতিষ্ঠাকালীন প্রেক্ষাপটের আলোকে যা ছিল একটি ধর্মীয় দুরন্ত আন্দোলন ও বিপ্লব, সংস্কার ও সংগ্রাম। ঐতিহাসিক কর্ণফুলি নদীর পশ্চিম তটে সংযুক্ত, বাংলাদেশের বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রাম শহর। শহরের পূর্ব-দক্ষিণ তটে, প্রায় ১২ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ঐতিহাসিক পটিয়া থানা (সাবেক মহকুমা)। এ শহর ঐতিহাসিক, ঐতিহ্যবাহী ও বহু বিপ্লব-অনুবিপ্লবের স্মৃতিধারক। ইতিহাস থেকে জানা যায়, এক সময় এ ’এলাকা পটিয়া কেন্দ্রিক শাসিত ছিল। রাজনৈতিক গুরুত্ব, ধর্মীয় ঐতিহ্য ও আন্তর্জাতিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে এ শহরের বিশেষ মর্যাদা ও অবস্থান রয়েছে। প্রাকৃতিকভাবে এ শহরের দু’দিকজুড়ে বিস্তৃত ঐতিহাসিক শঙ্ঘ ও কর্ণফুলী নদী। অপর দিকে রয়েছে উঁচু উঁচু পাহাড়সারি যা আবহমান বাংলার বনেদী প্রকৃতির জীবন্ত স্মারক। অন্যত্র রয়েছে সমুদ্রস্নাত সবুজাভ ক্ষেতের সমতল ভূমি। এমনি এক মনোহারী প্রাকৃতিক লীলাভূমির মাঝে দাঁড়িয়ে আছে আমাদের প্রাণপ্রিয় বিদ্যাপীঠ জামি’আ ইসলামিয়া পটিয়া। জামি’আ প্রতিষ্ঠার ইতিহাস- আজ থেকে বহুযুগ পূর্বের কথা। তখন বৃটিশ শাসনের যৌবনকাল। পুরো পটিয়া এলাকাজুড়ে সে যৌবনের উত্তাপ ছিল প্রচন্ড-প্রখর। গোলামির শৃঙ্খলে আবদ্ধ সরলমনা মানুষগুলো মনে করে বসেছিল, এটিই তাদের জীবনের চূড়ান্ত ভাগ্য, যা থেকে তাদের কোন নিস্তার নেই। ঘরে-ঘরে জ্বলছিল অপসংস্কৃতির লেলিহান শিখা। তবুও যেন পটিয়ার জনসাধারণ ক্রমাগত অত্যাচারী শাসনের নির্মমতার সামনে ভুলে গিয়েছিল আত্মপরিচয়, ভুলতে বসছিল মানবতা ও স্বাধীনতার কথা। ইংরেজ কর্তৃক চেপে দেওয়া আধুনিক বনাম শেকড়ঘাতী শিক্ষার প্রভাবে তাদের প্রশস্ত অন্তর অন্ধ কুটিরে পরিণত হয়েছিল। তবে কিছু ভালো মনের লোক ধর্মীয় আলেমদের কাছে আশ্রয় নিয়েছিলেন উভয় জাগতিক শান্তির আশায়, মুক্তির অন্বেষায়। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস! ‘রাহবার’ হয়ে গেল ‘রাহযান’। ওইসব আলেম বানী ইসরাঈলের ছা-মিরীর মতো তাদেরকে আলোর পথ দেখানোর পরিবর্তে ঘনঘোর অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিয়েছিল। বিশুদ্ধ তাও’হীদ ও রিসালাতের সুধা পান করানোর বদলে তাদের সামনে পরিবশেন করা হলো শিরক্‌ ও বিদ্’আহ-এর বিষ-বোতল। তাদেরকে বোঝানো হলো, মাজারে সিজ্দাহ্‌, মাজার ধুয়া পানি পান, পীর সাহেবের স্নানোত্তর অবশিষ্ট পানি ব্যবহার, অকাতরে পীরবেশী ডাকাতের পায়ে লুটে পড়া, সাড়ম্বর ওরশ-উদযাপন প্রভৃতি কর্মই হলো সফলতা, শান্তির ও মুক্তির গ্যারান্টি। শত বছর থেকে নিষ্পেষিত মুক্তিকামী মানুষেরা অত্যন্ত আবেগপ্রবণ হয়ে কবূল করতে লাগল মোল্লাদের এসব ভ্রান্ত কথা ও প্রথা। এভাবেই পটিয়ার রন্ধ্রে-রন্ধ্রে প্রবেশ করল ধর্মের নামে অধর্মের বিষক্রিয়া। এসব কুপ্রথাকে পুঁজি করে পুরো পটিয়াকে গ্রাস করে বসেছিল এক শ্রেণীর ধর্ম-ব্যবসায়ী মোল্লা। এভাবেই পটিয়ার শুভ্র আকাশে ছেঁয়ে গেল বিস্তীর্ণ কালো মেঘের ঘনঘটা। বিস্তারিত
জামেয়া প্রধান/ মহা-পরিচালকের আহবান
ইসলাম প্রিয় তাওহীদী ভাই-বোনেরা!

আস্‌সালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়া-বারকাতুহ, আল-জামিয়া আল-ইসলামিয়া পটিয়া, বর্তমান বিশ্বের অন্যতম এবং বাংলাদেশের বহুমুখী বৃহত্তম ইসলামী শিক্ষাকেন্দ্র। প্রতিষ্ঠানটি ১৯৩৮ইং সনে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। এ যাবত অত্র জামিয়া মুসলিম সমাজে পবিত্র কুরআন-হাদীছের আলো বিস্তার, ইসলামী তাহযীব-তামাদ্দুনের ব্যাপক প্রচার  এবং পরিবশকে কুসংস্কারমুক্ত করার সক্রিয় পদক্ষেপ নিয়ে জাতির দিক নির্দেশনার দায়িত্ব পালনে নিয়োজিত রয়েছে। অত্র জামিয়ায় ধর্মীয় শিক্ষাদানের সাথে সাথে ছাত্রবৃন্দকে কর্মঠ করে তোলার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন হস্তশিল্প ও কারিগরী বিদ্যার প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও রয়েছে। প্রতি বছর জামিয়া থেকে উচ্চ শিক্ষা লাভ করে বিরাট সংখ্যক ছাত্রবৃন্দ মুফাস্‌সির, মুহাদ্দিস, মুফ্‌তি, মুবাল্লিগ, ইসলামী চিন্তাবিদ,  আরবী সাহিত্যিক, ক্বারী ও হাফিযে কুরআন দেশ ও জাতির ব্যাপক দ্বীনি খিদমতে আত্মনিয়োগ করেন। প্রাথমিক স্তর থেকে দাওরা-ই-হাদিস (তাকমীল) পর্যন্ত সাধারণ দ্বীনি শিক্ষা শেষ করার পর জামিয়ায় তাফসীর, হাদীস, ফিক্বহ, আরবী সাহিত্য ও শীর্ষক উচ্চ পর্যায়ের বহুমুখী শিক্ষা বিভাগ রয়েছে, যা জামিয়ারই বৈশিষ্ট্য। এতে শিক্ষারত রয়েছে প্রায় পাঁচ হাজারেরও বেশি ছাত্র সংখ্যা। তদুপরি প্রতি বছর রমযানের ছুটিতে জামিয়ায় আরবী সাহিত্য, নাহু-ছরফ(আরবি ব্যাকরণ), ফারায়েয, তাজবীদ, হিফজুল কুরআন ও হস্তশিল্পের উপর বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রয়েছে। ছাত্রদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নও-মুসলিমও রয়েছে। এ সকল ছাত্রদেরকে বিনা বেতনে শিক্ষাদান এবং বাসস্থান, বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহের ব্যবস্থা করা হয় জামিয়ার পক্ষ থেকেই। তদুপরি সকলের যাবতীয় পাঠ্যপুস্তক জামিয়ার পক্ষ থেকে প্রদান করা হয়। জামিয়ার পাঁচ হাজারের উর্দ্বে ছাত্রবৃন্দ হতে প্রায় ২,৫০০ জন ছাত্রকে জামিয়ার পক্ষ থেকে বিনামূল্যে খাদ্য সরবরাহ করা হয় এবং নও-মুসলিমসহ বিরাট সংখ্যক ছাত্রের পোশাক-আশাক ও চিকিৎসা তথা সকল প্রকার ভরণ-পোষনের দায়িত্ব অত্র জামিয়া বহন করে থাকে।

বিস্তারিত

2017 Powered By Al-Jamiah Al-Islamiah Patiya. Design By F.A.CREATIVE FIRM