আজ যুহরের নামাজ শেষে জামিয়া মসজিদে উপস্থিত উস্তাদ, ছাত্র এবং জানাযায় আগত সম্মানিত মেহমানদের উদ্দেশে জামিয়ার মুহতামিম, হযরত মুফতি আবু তাহের কাসেমী নদভী হাফিজাহুল্লাহ তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
মেহমানের একরাম (সম্মান প্রদর্শন)
১। জামিয়ার সবাই মেজবান, আর আগতরা আমাদের মেহমান। তাই মেহমানদের যথাযথ একরাম করা প্রত্যেকেরই দায়িত্ব ও কর্তব্য।
২। এলাকার ছাত্রদের প্রতি নির্দেশনা
দেশের সর্বত্র থেকে মেহমানরা জানাযায় শরিক হতে আসবেন— কেউ অবস্থান করবেন, কেউ ফিরে যাবেন। তাই প্রত্যেক ছাত্রকে নিজের এলাকার মেহমানদের খোঁজখবর নিতে হবে, যথাসাধ্য একরাম করতে হবে এবং প্রয়োজনে রুমে থাকার ব্যবস্থা করে দিতে হবে।
খানাপিনার ব্যাপারে মাদরাসার পক্ষ থেকে সিদ্ধান্ত বিবেচনাধীন, তবে ছাত্রদেরকেও সাধ্য অনুযায়ী সহযোগিতা করতে হবে।
৩। পটিয়া মাদরাসার দরজা সবার জন্য উন্মুক্ত
হুজুর বলেন—
“অনেকে ফোন করে জানতে চাইছেন: ‘আমরা কি জানাযার জন্য পটিয়া মাদ্রাসায় আসতে পারব?’ আমি কোরআনের ভাষায় স্পষ্টভাবে বলতে চাই—
পটিয়া মাদ্রাসার দরজা সবার জন্য উন্মুক্ত।
وَمَنْ دَخَلَهُ كَانَ آمِنًا — যে এতে প্রবেশ করবে, সে নিরাপদ থাকবে।
لا تثريب عليكم اليوم — আজ তোমাদের জন্য কোনো ভর্ৎসনা নেই।
যে-ই এখানে আসবে, সে-ই নিরাপদ থাকবে ইনশাআল্লাহ। আমরা সবাই প্রতিজ্ঞাবদ্ধ যে, আগত প্রত্যেক মেহমানের যথাযথ একরাম করা হবে।”
শেষ কথা
ছাত্রদের উদ্দেশে মুহতামিম সাহেব বলেন:
“মেহমানদের একরামই আমাদের শেষ কথা। এর বাইরে আর কোনো কথা নেই। তোমরা সবাই তা করতে পারবে তো?”
— সবাই একসাথে উত্তর দিল: “ইনশাআল্লাহ।”

