হিফজুল কুরআন বিভাগ

হিফজ বিভাগের বৈশিষ্ট্য

  • শিশু-কিশোরদেরকে আনন্দ-বিনোদনের মাধ্যমে স্বল্প সময়ে পবিত্র কোরআন হিফজ করার অন্যতম বিভাগ হলো আল-জামিয়া পটিয়ার ‘হিফজ বিভাগ’। আল-জামিয়ার হিফজ বিভাগের অনেক ঐতিহ্য আছে। এখানে কোমলমতি ছাত্রদেরকে অভিজ্ঞ হাফেজ সাহেবানদ্বারা নিবিড় তত্ত্বাবধানে রাখা হয়।
  • নির্বাচিত ছাত্রদেরকে ‘হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা’য় অংশ্র গহণের ব্যবস্থা করা হয়।
  • বাংলাদেশ তাহফীজুল কুরআন সংস্থা কর্তৃক ‘মারকাযী পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করা হয়। পরবর্তীতে উত্তীর্ণ ছাত্রদেরকে সংস্থা কর্তৃক সনদপত্র প্রদান করা হয়।

নিম্নে মারকাযী পরীক্ষার নীতিমালা প্রদত্ত হলো

  • হিফজ সমাপ্তকারী ছাত্রদের মারকাজী পরীক্ষা প্রতি বছর শাবান মাসে অনুষ্ঠিত হয়।
  • চার বিষয়ে মারকাজী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়-
  • প্রথমত. হাদর ও তারতীল; উভয় পদ্ধতিতে পূর্ণ কুরআন শরীফের হিফজ পরীক্ষা।
  • দ্বিতীয়ত. তাজবীদের নিয়মাবলির পরীক্ষা।
  • তৃতীয়ত.  মাসনূন দোয়াসমূহের পরীক্ষা।
  • চতুর্থত. আকাঈদ ও ফিকহের প্রয়োজনীয় মাসআলাসমূহের পরীক্ষা।

 

  • মারকাজী পরীক্ষার বিষয়সমূহের নাম্বার বণ্টন নিম্নরূপ :-

১. হিফজুল কোরআন :   ১০০

২. ফিকহ ও আকাঈদ : ১০০

৩. তাজবীদ : ৫০

৪. মাসনূন দোয়া : ৫০

প্রতি ১০০ নাম্বারে ৫০ এবং প্রতি ৫০ নাম্বারে ২৫ নাম্বার প্রাপ্ত হলেই পাশ ধরা হয়, অন্যথায় অকৃতকার্য গণ্য হয়।

বিভাগ নির্ধারণ নিম্ন রূপ:

১. মুমতাজ : ৯০

২. জাইয়িদ জিদ্দান : ৮০

৩. জাইয়িদ : ৬৫

৪. মাকবুল : ৫০